Sunday, August 29, 2021

ভাইরাল ঋতুপর্ণা

 

টলিউডের প্রথম সারির জনপ্রিয় নায়িকা ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। টলিউডের পাশাপাশি বলিউডেও জমিয়ে কাজ করেছেন তিনি। সামাজিক মাধ্যমে বেশ অ্যক্টিভ নায়িকা। প্রায়শই নিত্যনতুন নিজের ছবি এবং ভিডিও পোস্ট করে অনুরাগীদের মাতিয়ে রাখেন তিনি। 

সম্প্রতি হিমাচলে রয়েছেন ঋতুপর্ণা। সেখানে নতুন ছবির শুটিং করছেন এই অভিনেত্রী। শনিবার সকাল সকাল ইনস্টাগ্রামে একটি ভিডিও শেয়ার করেন অভিনেত্রী। লাল রঙের জ্যাকেট আর নীল রঙের হট প্যান্ট পরে ভিডিওতে ধরা দিয়েছেন তিনি। ভিডিও শেয়ার করে ক্যাপশনে লিখেছেন, হিমাচল প্রদেশে স্কোয়াড গোলস। দারুণ ভাল নৃত্যশিল্পী অভিনেত্রী, এটা কারোই অজানা নয়। তিনি এবং তার পুরো টিম রয়েছে এই ভিডিওতে। একসঙ্গে সকলে মিলে নাচছেন। অভিনেত্রী ভিডিও পোস্ট করতেই তুমুল ভাইরাল হয়ে যায়।

অভিনেত্রীর ভিডিও এবং ছবি দেখে প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছেন অনেকেই। পাশাপাশি ঠান্ডার শহরে হট প্যান্ট পরে ভিডিও পোস্ট করাই ক্রমাগত ট্রোল হল নায়িকা। কমেন্ট বক্সে উড়ে আসছে নেটিজেনদের অপ্রীতিকর মন্তব্য। কেউ লেখেন, ঠান্ডা লাগছে না? যদিও ট্রোলারদের কোনোভাবেই পাত্তা দেননা অভিনেত্রী। তিনি নিজের ছন্দেই চলেন। সিনেমার পাশাপাশি একটি টিভি চ্যানেলের হয়েও শো হোস্ট করছেন ঋতুপর্ণা।

Saturday, August 28, 2021

ওসির প্রচেষ্টায় হারানো ছেলেকে ফিরে পেল পিতাঃ বদলগাছীতে

নওগাঁর বদলগাছীতে থানা ভারপাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলামের প্রচেষ্টায় হারানো ছেলেকে ফিরে পেলেন বাবা। জানা যায়,নওগাঁর বদলগাছী থানাধীন বদলগাছী চার মাথার মোড়ে গত ২৬শে আগস্ট বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা অনুমান ৭ টার সময় ১৫ বছরের এক বুদ্ধি প্রতিবন্ধি শিশুকে ঘোরা ফেরা করতে দেখতে পায় স্থানীয় লোকজন।


স্থানীয় লোকজন বদলগাছী থানার ভারপাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ আতিকুল ইসলামকে ঘটনাটি মোবাইলে জানালে তিনি দ্রুত ঘটনাস্থলে যান এবং বুদ্ধি প্রতিবন্ধি শিশুকে থানায় নিয়ে আসেন।

পরে বদলগাছী থানা পুলিশ বিভিন্ন থানা ও জেলায় বার্তা প্রেরণ ও সোস্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে প্রচার করে ছেলেটির ঠিকানা বের করার চেষ্টা করেন।

বুদ্ধি প্রতিবন্ধি শিশুকে বদলগাছী থানার ভারপাপ্ত কর্মকর্তা তার ঠিকানা জিজ্ঞাসা করিলে সে আধো আধো কন্ঠে তার নাম মিজান ও তাহার পিতার নাম মুক্তার হোসেন বললেও তার গ্রামের নাম বলতে পারছিলেন না।

পরবর্তীতে শিশুটি তার এলাকা সান্তাহার উল্লেখ করলে বদলগাছী থানার ভারপাপ্ত কর্মকর্তা ঐ গ্রামের তথ্য নিতে বগুড়া জেলার সান্তাহার পুলিশ ফাঁড়ীর ইনচার্জকে মোবাইলে উক্ত ঘটনাটি জানান। 

সান্তাহার পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এক ভাজা বিক্রেতার সাথে যোগাযোগ করলে তার মাধ্যমে বদলগাছী থানার ওসি বুদ্ধি পট্রতিবন্ধি শিশুর পিতা মোঃ মুক্তার এর সাথে যোগাযোগ করেন।

বুদ্ধি প্রতিবন্ধি শিশুর পিতা এবং ছোট বোন বদলগাছী থানায় আসেন। বুদ্ধি প্রতিবন্ধি শিশুর নাম মোঃ মিজান (১৫), পিতা- মোঃ মুক্তার হোসেন, সাং- সান্তাহার পশ্চিম সিংড়া (পূর্ব ঢাকা রোড), থানা-আদমদীঘি, জেলা-বগুড়া।

বদলগাছী থানার ভঅরপাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলাম বুদ্ধি প্রতিবন্ধি শিশু মিজান ও তাহার ছোট বোনকে নতুন জামা উপহারসহ তাদের বাড়ীতে পৌঁছানোর জন্য একটি সিএনজি ভাড়া করে শিশুটিকে তার পিতার নিকট হস্থান্তর করে।

ছেলেকে ফিরে পেয়ে মিজানের বাবা মুক্তার হোসেন বদলগাছী থানা পুলিশকে আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানায়।

হাতের মেহেদীর রঙ উঠার আগে লাশ হলো নববধু

হাতের মেহেদির রঙ মুছে যাওয়ার আগেই শুক্রবার (২৭ আগস্ট) সন্ধ্যায় মুছে গেলো সুমার জীবনের রঙগত ২০ আগস্ট বিজয়নগরের জহিরুলের সঙ্গে দুই পরিবারের সম্মতিতে বিয়ে হয় ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদরের সুমার।

শুক্রবার বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার পত্তন ইউনিয়নের লইসকা বিলে শতাধিক যাত্রীবোঝাই ইঞ্জিনচালিত নৌকার সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা দুটি বালুবোঝাই ভলগেটের মুখোমুখি সংঘর্ষে সুমাসহ ২২ জনের মরদেহ উদ্ধার করে এলাকাবাসী ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা।

শনিবার (২৮ আগস্ট) সকালে শারমিন আক্তার সুমার বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার ভাটপাড়া গ্রামের বাড়িতে দেখা গেছে শোকের মাতম। সুমা ছিলেন ওই গ্রামের মৃত জারু মিয়ার একমাত্র মেয়ে। তার ভাই ও মায়ের আহাজারিতে এলাকার বাতাস ভারি হয়ে উঠেছে।

কান্নারত অবস্থায় কথা হয় সুমার মামা আশিক মিয়ার সঙ্গে। তিনি আরটিভি নিউজকে জানিয়েছেন, মাত্র সাত দিন আগে তার ভাগ্নিকে বিজয়নগর উপজেলার ভিটিদাউদপুর গ্রামের বাসিন্দা মো. জহিরুল ইসলামের সঙ্গে বিয়ে দেওয়া হয়। স্থানীয় বাজারে মিষ্টির কারিগর হিসেবে কাজ করতেন জহিরুল। বরযাত্রার পর ফিরতি যাত্রায় শ্বশুরবাড়ি এসে নববিবাহিত স্ত্রীকে নিয়ে নৌকায় করে নিজের বাড়ি ফিরছিলেন জহিরুল। কিন্তু নিজের শ্বশুর বাড়িতে আর যাওয়া হলো না তার ভাগ্নি সুমার।

সুমার ভাসুর আমির হামজা আরটিভি নিউজকে বলেন, নৌ-দুর্ঘটনায় তার ছোট ভাইয়ের স্ত্রী মারা যাওয়ার খবর পেয়ে তারা হতবাক হয়ে পড়েন। ঘটনাস্থলে এসে সুমার নিথর মরদেহ উদ্ধারের দৃশ্য দেখে তাদের এখনো বিশ্বাস হচ্ছে না যে, সুমা আর নেই।