বুধবার (১৬ অক্টোবর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ পোল্ট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ সেন্ট্রাল কাউন্সিল (বিপিআইসিসি)-এর প্রধান সমন্বয়ক এ তথ্য জানিয়েছেন।
জানা গেছে, রাজধানীর প্রধান দুই পাইকারি বাজার তেজগাঁও ও কাপ্তান বাজারে প্রতিদিন ২০ লাখ ডিম সরবরাহ করবে বড় ডিম উৎপাদনকারী খামারগুলো, যা বাজারের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করবে।
প্রাথমিকভাবে এই কার্যক্রম ঢাকায় শুরু হলেও এর প্রভাব সারা দেশে পড়বে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
বিপিআইসিসি’র যুগ্ম আহ্বায়ক মসিউর রহমান জানান, সরকার নির্ধারিত দামে ডিম বিক্রি করতে তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। কৃষি বিপণন অধিদপ্তর, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর এবং পোল্ট্রি স্টেকহোল্ডাররা মিলে যৌক্তিক উৎপাদন খরচের ভিত্তিতে ডিমের মূল্য নির্ধারণ করেছে। সাম্প্রতিক বন্যা ও পাহাড়ি ঢলের কারণে দেশের এক-চতুর্থাংশ পোল্ট্রি খামার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় দৈনিক প্রায় ৬০-৭০ লাখ ডিমের উৎপাদন কমে যায়, ফলে চাহিদা ও জোগানের ভারসাম্য নষ্ট হয়।
তিনি আরও জানান, এই সংকটের সময়ে কিছু ব্যবসায়ী অতিরিক্ত মুনাফা অর্জনের চেষ্টা করলে বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি হয়। দেশ ও জনগণের স্বার্থে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে আগামী ১৫ দিনের বিশেষ কার্যক্রম হাতে নিয়েছে বিপিআইসিসি। এতে প্রতিটি ডিম খামারে ১০ টাকা ৫৮ পয়সা, পাইকারিতে ১১ টাকা ১ পয়সা এবং খুচরা পর্যায়ে ১২ টাকায় বিক্রি করা হবে।
ডিম সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে কাজী ফার্মস, ডায়মন্ড এগস লিমিটেড, প্যারাগন পোল্ট্রি, পিপলস পোল্ট্রি অ্যান্ড হ্যাচারি, নারিশ পোল্ট্রি, ভিআইপি শাহাদত পোল্ট্রি, নর্থ এগ লিমিটেড এবং আরও অনেক প্রতিষ্ঠান। আফিল অ্যাগ্রো এবং প্রাণ অ্যাগ্রোও শিগগিরই এই কার্যক্রমে যোগ দেবে বলে আশা করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, গত ১৫ সেপ্টেম্বর প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. মোহাম্মদ রেয়াজুল হক স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে ডিমের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল: উৎপাদক পর্যায়ে প্রতি পিস ১০ টাকা ৫৮ পয়সা, পাইকারিতে ১১ টাকা ১ পয়সা, এবং খুচরা পর্যায়ে ১১ টাকা ৮৭ পয়সা।







0 comments:
Post a Comment